তৃণমূল প্রতিনিধিঃ
মানিক পশারীর পরিবার তৃণমূল সংবাদকে বলেন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে মানিক পশারী (৮৫) পলাতক ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ে জামাই বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। গত দুই মাস ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শনিবার সকালে টুঙ্গিপাড়ায় মৃত্যুবরণ করলে দুপুর ১২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে তাকে গার্ড অব অনারের জন্য আনা হয়। সেখানে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের বাধার মুখে পড়েন। পরে গোপনে পুলিশ লাইনসের ভেতরে নিয়ে গার্ড অব অনার দিয়ে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
এ ব্যাপারে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনের পারিবারিকভাবে পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে জেলা জামাতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মানিক পশারী একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। সে গার্ড অফ অনার পাওয়ার অধিকার রাখে না।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০০৯ সালে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানিক পশারী একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মাওলানা সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ তার মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। কারাবন্দী থাকা অবস্থায় ঢাকা পিজি হাসপাতালে ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট মাওলানা সাঈদী মারা যান এবং পিরোজপুরের সাঈদী ফাউন্ডেশনের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এইচ এম জুয়েল