তৃণমূল সংবাদঃ-
২০০৩ সালে একি ইউনিয়ের গুড়ামিয়া গ্রামের কৃষক হারুন লাহাড়ীর সঙ্গে বিয়ে হয়। এবং তাদের সংসারে এক মেয়ে এক ছেলে জন্ম নেয়। তাদের নাম – জাকিয়া ইসলাম রিয়া এবং মোঃ আরাফাত।
ভাগ্যের কাছে হেরে যান ফাতেমা ২০০৮ সালে তার স্বামী হারুন লাহাড়ী হঠাৎ করেই মারা যান। তখন সে দিশেহারা হয়ে যান তার অবুঝ দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে।
তথন অভাবের তাড়নায় বাধ্য হয়ে অবুঝ শিশু সন্তানদের গ্রামে রেখে বুকে পাথর চাঁপা দিয়ে কাজের সন্ধানে ব্যাস্ততম শহর ঢাকার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান।
তারপর ঢাকায় আসেন এবং এক লোকের মাধ্যমে তৎকালিন ২০০৯ সালে বিরোধী দলের নেত্রী সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার – ফিরোজা বাসায় গৃহকর্মীর চাকুরী নেন।
সেই থেকে আজ অবদী পর্যন্ত প্রায় ১৬ বছর ধরে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আছেন সেবা যত্ন এবং বাসার রান্নাবান্নার কাজ করে চলেছেন।
২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়ার একটি মামলায় কয়েক বছরের জেল হয়। তখন এই ফাতেমা আদালতে দাঁড়িয়ে নির্ভয়ে বলেছেন, মহামান্য আদালত আমি স্বেচ্ছায় জেলে যেতে চাই:- যদি মহামান্য আদালত অনুমতি দেন।বেগম জিয়ার সেবা যত্ন করার জন্য – কারন আমি প্রায় ৯ বছর ধরে একটানা সেবা যত্ন করে আসছি – বেগম জিয়া অসুস্হ্য তাকে জেলখানায় তাকে দেখার মতো কেউ নেই
আমি সাথে থাকলে আমার মনিব বেগম জিয়ার তিন বেলা ঔষুধ খাওয়ানো থেকে শুরু করে সমস্ত কাজ আমি করতে পারতাম।
তখন বেগম জিয়ার সঙ্গে ফাতেমাকে ২৫ মাসের জেল দিয়ে দেন মহামান্য আদালত। পৃথিবীর ইতিহাসে এক নজির বিহীন ঘটনা ঘটিয়েছেন – ফাতেমা