শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি “আজরা মালিহা মানসুরা” শ্রীনগর ১নং মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় থেকে” তার এই কৃতিত্বে আনন্দিত শিক্ষক ও পরিবার। ভান্ডারিয়ায় “ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সর “মৃত দাবী চেক হস্তান্তর” অনুষ্ঠানে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মোশারফ হোসেন রানা ও জোনাল ইনচার্জ শামীম হাওলাদার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীবৃন্দ উপস্থিত। ভান্ডারিয়ায়  প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়‌ন দিবস বর্ণাঢ্য র‍্যালি  ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে, এসময় ইউএনও ও বিআরডিবি অফিসার, বিভিন্ন দপ্তর প্রধান এবং রাজনৈতিক ও সুফলভোগী উপস্থিত ছিলেন। বাবার স্মৃতি দেখতে বৃটিশ থেকে স্মলার ভ্রাতৃদ্বয় কুষ্টিয়ার গড়াই রেল ব্রীজে। ভান্ডারিয়া উপজেলার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ( বিআরডিবি) এর উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সুফল’ভুগীদের মাঝে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ। ঝালকাঠিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আবুল কালাম আজাদ কে পদোন্নতি’প্রাপ্ত “এসআই পুলিশ” র‌্যাংক ব্যাজ পরালেন এসপি মোঃ মিজানুর রহমান। সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব — মুহাম্মদ মনজুর হোসেন মোরেলগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবর্ধনা

চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় “আজিজ মোহাম্মদ ভাই’সহ তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড!।

দৈনিক তৃণমূল সংবাদ ডেস্ক : / ২৪২ বার পঠিত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০২৪, ৯:২০ অপরাহ্ণ

নব্বইয়ের দশকের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় আলোচিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ’সহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ৯মে বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করা হয়।

দণ্ডিত অন্য দুই আসামি হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম ও আদনান সিদ্দিকী। দণ্ডিত প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ টাকা না দিলে তাদের আরো এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

উল্লেখঃ  বনানীর ১৭ নম্বর রোডের আবেদীন টাওয়ারে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে ১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা যান নায়ক সোহেল চৌধুরী। ওই ঘটনায় সোহেল চৌধুরীর ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী রাজধানীর গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ওই বছরই এক আসামি মামলা বাতিলে হাইকোর্টে আবেদন করেন। সেই আবেদনে শুনানির হাইকোর্ট মামলার বিচারকাজ স্থগিত করেন।

২০১৫ সালে সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন হাইকোর্ট। তারও সাত বছর পর ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি মামলার নথি বিচারিক আদালতে ফেরত আসলে সাক্ষ্যগ্রহনের উদ্যোগ নেন বিচারিক আদালত। পরে ২৮ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জাকির হোসেনের আদালতে সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী সোহেল চৌধুরীর ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী।

৩৮ জন সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দেন ১০জন সাক্ষী। চলতি বছর ২৮ জানুয়ারি এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর শুরু হয় চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক। গত ২৯ এপ্রিল রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য রেখেছিলেন আদালত।

Facebook Comments Box


এই জাতীয় আরও সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  
এক ক্লিকে বিভাগের খবর