শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি “আজরা মালিহা মানসুরা” শ্রীনগর ১নং মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় থেকে” তার এই কৃতিত্বে আনন্দিত শিক্ষক ও পরিবার। ভান্ডারিয়ায় “ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সর “মৃত দাবী চেক হস্তান্তর” অনুষ্ঠানে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মোশারফ হোসেন রানা ও জোনাল ইনচার্জ শামীম হাওলাদার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীবৃন্দ উপস্থিত। ভান্ডারিয়ায়  প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়‌ন দিবস বর্ণাঢ্য র‍্যালি  ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে, এসময় ইউএনও ও বিআরডিবি অফিসার, বিভিন্ন দপ্তর প্রধান এবং রাজনৈতিক ও সুফলভোগী উপস্থিত ছিলেন। বাবার স্মৃতি দেখতে বৃটিশ থেকে স্মলার ভ্রাতৃদ্বয় কুষ্টিয়ার গড়াই রেল ব্রীজে। ভান্ডারিয়া উপজেলার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ( বিআরডিবি) এর উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সুফল’ভুগীদের মাঝে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ। ঝালকাঠিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আবুল কালাম আজাদ কে পদোন্নতি’প্রাপ্ত “এসআই পুলিশ” র‌্যাংক ব্যাজ পরালেন এসপি মোঃ মিজানুর রহমান। সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব — মুহাম্মদ মনজুর হোসেন মোরেলগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবর্ধনা

বাবার স্মৃতি দেখতে বৃটিশ থেকে স্মলার ভ্রাতৃদ্বয় কুষ্টিয়ার গড়াই রেল ব্রীজে।

দৈনিক তৃণমূল সংবাদ ডেস্ক : / ১৪ বার পঠিত
আপডেট : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ

তৃণমূল ডেক্সঃ

বাবার স্মৃতি দেখতে বৃটিশ থেকে স্মলার ভ্রাতৃদ্বয় কুষ্টিয়ার গড়াই রেল ব্রীজে।

 তাদের বাবা ‘অল্ডউইন স্মলার’ ছিলেন তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানীর ব্রীজ ইঞ্জিনিয়ার। ১৯৩৭ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালিতে গড়াই নদীর ওপর রেলওয়ে ব্রীজের কাজ শুরু হলে তিনি ছিলেন সার্বিক দায়িত্বে। ব্রীজটি নির্মান কাজ ১৯৩৭ সালে শুরু হয়ে সম্পন্ন হয় ১৯৩৯ সালে। 

বৃটিশ নাগরিক অল্ডউইন স্মলার ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ের প্রকৌশলীর চাকরি নিয়ে ভারতে আসেন ত্রিশের দশকে প্রথম দিকে। তাঁর কর্মস্থল নির্ধারন হয় কুষ্টিয়াতে।

১৯৫১ সালে অল্ডউইন ইংল্যান্ডে ফিরে যান। ১৯৭৮ সালের ১৯ অক্টোবর তিনি মারা যান। মারা যাবার পূর্বে তিনি বড় ছেলে নাইজেল স্মলারকে অনেক গড়াই ব্রিজের ছবি দেখান ও গড়াই ব্রীজ তৈরির গল্প বলেন।

বলেন বাংলাদেশ তথা কুষ্টিয়া কুমারখালির অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা।

বাবার মৃত্যুর ২ বছর পর হঠাৎই যেন নাইজেল আক্রান্ত হন নষ্টালজিয়ায়। বাবার সৃষ্টি গড়াই ব্রীজ দেখতে হবে।

এরপর গত ২০১০ সালের ২৮ মার্চ নাইজেল স্মলার ও তার ছোট ভাই অড্রিন স্মলার এবং ভিয়েতনামী বন্ধু হুয়াং লি বাংলাদেশে আসেন। এদেশে তারা দি বেঙ্গল টুরিস্ট লিমিটেডের তত্বাবধানে ওঠেন।

এর পরে তারা ট্যুর ম্যানেজার মহিউদ্দিন জিয়ার নেতৃত্বে আসেন কুমারখালি। অবশেষে স্বপ্নের গীড়াই ব্রীজ। স্পন্দিত বুকের স্পর্শ নিয়ে স্বপ্ন নেমে আসে ধরা তলে। আবেগে আপ্লুত, বাকরুদ্ধ স্মলার দুই ভাই।

বাবার সৃষ্টি তারা ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখেন। এ এক অন্য অনুভুতি। ব্রীজ তৈরির সময়ের তোলা স্মৃতিময় ছবি দেখিয়ে তারা বলেন, এই হচ্ছে গড়াই ব্রীজ, আর এই আমাদের বাবা।

নাইজেল বলেন, আমরা চার ভাই, মা আছেন। তাঁর বয়স ৭৪ বছর। আমরা এ ব্রীজের ছবি ও ভিডিও চিত্র দেশে গিয়ে আমাদের মা ও অন্য দু’ ভাইকে দেখাবো। আমাদের বন্ধুদের দেখাবো বাবার সৃষ্টি।

তাঁরা আবার গড়াই ব্রীজের কাছে আসবেন। কুমারখালি থেকে তাঁরা বিদায় নেন পড়ন্ত বিকালে ট্রেনের ইঞ্জিনে চড়ে। উদ্দেশ্য, চলন্ত ট্রেন থেকে ব্রীজের ভিডিও চিত্র ধারন করা।

Facebook Comments Box


এই জাতীয় আরও সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  
এক ক্লিকে বিভাগের খবর